Posts

অফিস ডেস্কে রাখতে পারেন এই গাছগুলো

Image
  সারাদিনের প্রায় অর্ধেকের বেশি সময় কেটে যায় অফিসে। তাই অফিস ডেস্কে কিছুটা সবুজের ছোঁয়া থাকলে শরীর, মন দুটোই প্রফুল্ল ও চাঙ্গা থাকে। তবে বেশিরভাগ অফিসেই যেহেতু এখন সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনার থাকে, তাই আলো-বাতাস ভেতরের একেবারেই চলাচল করে না বললেই চলে। তাই অফিস ডেস্কে এমন গাছ রাখতে হবে যা এই পরিবেশে খাপ খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, অফিস ডেস্কে আপনি কী কী গাছ রাখতে পারেন। চাইনিজ এভারগ্রিন অ্যাগলস্‌ বা চাইনিজ এভারগ্রিন এই গাছটি এর পাতার রঙের জন্য বিখ্যাত। বেশিরভাগ গাছের পাতাই কচি থেকে পরিপক্কের দিয়ে আগাতে গাঢ় সবুজ রঙ ধারণ করলেও এর পাতাগুলো রূপালি বা লাল রঙের হয়ে থাকে। এই গাছটির আরেকটি নাম হলো অ্যাগলোনেমা যা দুটি গ্রিক শব্দ অ্যাগলস্‌ (উজ্জ্বল) এবং নামা (সুতা) থেকে এসেছে। এই সুতা বলতে এই গাছের ফুলের মাঝ থেকে আকর্ষণীয় যে পুংকেশর বের হয় তাকে বোঝানো হয়। এটি চীনাদের মধ্যে একটি জনপ্রিয় গাছ যা তাদের কাছে দীর্ঘ জীবনের প্রতীক। তাই এর আরেক নাম চাইনিজ এভারগ্রিন। এই গাছটি কম বা বেশি আলোয় অনায়াসে বেঁচে থাকতে পারে। তাই অফিস ডেস্কে সাজাতে পারেন নিশ্চিন্তে। জিজি প্ল্যান্ট জ...

পাখিদের ‘ফ্ল্যাট’ বানিয়ে দেন বখতিয়ার

Image
  তরুণ বখতিয়ার হামিদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। প্রাণী সংরক্ষণে মনোযোগী হয়েছিলেন চুয়াডাঙ্গার নিজ গ্রাম বেলগাছিতে। গ্রামটি এখন ‘বন্য প্রাণী ও পাখির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত। বখতিয়ার যে কাজ শুরু করেছিলেন নিজের গ্রামে, সেই বার্তা এখন তিনি ছড়িয়ে দিচ্ছেন বিভিন্ন জেলায়। ফেসবুকেও তাঁর কাজ দেখে অনুপ্রেরণা পান অনেকেই। ছুটির দিনে পাখিদের ‘ফ্ল্যাট’ বানিয়ে দেন বখতিয়ার তরুণ বখতিয়ার হামিদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। প্রাণী সংরক্ষণে মনোযোগী হয়েছিলেন চুয়াডাঙ্গার নিজ গ্রাম বেলগাছিতে। গ্রামটি এখন ‘বন্য প্রাণী ও পাখির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত। বখতিয়ার যে কাজ শুরু করেছিলেন নিজের গ্রামে, সেই বার্তা এখন তিনি ছড়িয়ে দিচ্ছেন বিভিন্ন জেলায়। ফেসবুকেও তাঁর কাজ দেখে অনুপ্রেরণা পান অনেকেই। শাহ আলম চুয়াডাঙ্গা প্রকাশ: ৩ অক্টোবর ২০২০, ১২:০২ অ + অ - বখতিয়ার হামিদ। নিজের গ্রামে গড়ে তুলেছেন পাখি ও বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম ছবি: সংগৃহীত চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেলগাছি পুরোপুরি শহর হয়ে ওঠেনি। তবে তা নিয়ে বাসিন্দাদের মনে কোনো আক্ষেপ নেই। বেলগাছিকে মনে হতে পারে শহরের ভেতরে একটুকরা গ্রাম। সেখানে বহুতল ভবনের পাশাপাশি আছে আ...

শীতলক্ষ্যা রক্ষার দাবিতে নৌকাবন্ধন

Image
দূষণের হাত থেকে শীতলক্ষ্যা নদীকে বাঁচানোর দাবিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, নারায়ণগঞ্জের নৌকাবন্ধন। Daily Star   শীতলক্ষ্যা রক্ষার দাবিতে নৌকাবন্ধন করেছেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ শাখা। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে ‘শীতলক্ষ্যা বাঁচাও আন্দোলন’ ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। নৌকাবন্ধন শেষে নদীটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনের মেয়র, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি লক্ষ্মী চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি কৃষ্ণা ঘোষ, সেক্রেটারি হাসিনা পারভীন, সহসাধারণ সম্পাদক রহিমা খাতুন প্রমুখ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আনজুমান আরা আকসির বলেন, আগে শুনতাম, শীতলক্ষ্যার হাওয়া ও পানি পান করলে শরীর মন সুস্থ থাকে। শীতলক্ষ্যা এখন মারাত্মক দূষণের শিকার। নদীর তীরে অপরিকল্পিতভাবে অনেক শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে যেগুলোর বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে। পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, নদীর মাছ মরে যাচ্ছে, চারদিকে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। নিরুপায় হয়ে মানুষ এ পানি ব...

অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত, সেন্টমার্টিন পরিষ্কার করলেন ওরা ১১ জন

Image
Daily Star   সেন্টমার্টিন থেকে ৫০০ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ করেছেন একদল তরুণ পর্যটক। পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দ্বীপের বিভিন্ন জায়গা থেকে তারা বর্জ্যগুলো সংগ্রহ করেছেন।  চীনের নানচং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষার্থী গত সোমবার সেন্টমার্টিন দ্বীপে যান। তিন দিন দ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি ঘুরে ঘুরে বর্জ্য সংগ্রহ করেন তারা। দলটির সদস্য সাজিদ কবির সাজি  দ্য ডেইলি স্টার কে বলেন, ‘শীতের ছুটিতে আমরা সেন্টমার্টিনে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করি। সেই অনুযায়ী আমরা এই কার্যক্রমে অংশ নিই।’ তিনি জানান, অতিমাত্রায় প্রবাল উত্তোলন ও যেখানে সেখানে ময়লা ফেলার কারণে দ্বীপটির পুরো জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।  ‘বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতি সপ্তাহে দ্বীপের বর্জ্য পরিষ্কার করা উচিত। প্রতি সপ্তাহে সম্ভব না হলে অন্তত মাসে একবার পরিষ্কার করা উচিত।’ দলের আরেক সদস্য আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই অনন্য এই দ্বীপকে বাঁচানোর জন্য সবাই আমাদের প্রচেষ্ট...

পাহাড় কেটে উন্নয়ন বোর্ডের ‘উন্নয়ন’!

Image
ছবি: সঞ্জয় কুমার বড়ুয়া; Daily Star সঞ্জয় কুমার বড়ুয়া বান্দরবানে পাহাড়িদের ঘর, জুম চাষের জমির ওপর দিয়ে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে। রোয়াংছড়ি থেকে রুমা পর্যন্ত ২০ কি.মি সড়ক নির্মাণে প্রায় ৫০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ পাননি তারা। প্রতিবাদ করতে গেলে নানা ধরনের হুমকি দেয়া হয়।   জানতে চাওয়া হলে, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আজিজ জানান, 'সড়ক নির্মাণে কিছু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উন্নয়ন বোর্ড থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কোনো বিধান নেই। এরপরেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য কী করা যায়, তা নিয়ে আমরা ভাবছি।’ গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সড়কটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৮ কোটি টাকা। ২০২২ সালের মধ্যে সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে। রুমা উপজেলার চান্দা মৌজার হেডম্যান ছামাউ মারমা বলেন, ‘সড়কটির কারণে আমাদের আম, কলা, হলুদ, বাঁশ বাগান ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা প্রতিবাদ...

আর্বজনার গ্রাস

Image
প্রবেশপথে আবর্জনার বিশাল স্তুপ মাড়িয়ে প্রতিদিন চলতে হয় কামরাঙ্গীরচরের পূর্ব রসূলপুরের আট নম্বর গলির বাসিন্দাদের। শুধু তাই নয়, আবর্জনা গ্রাস করে নিয়েছে এই এলাকা দিয়ে বয়ে যাওয়া বুড়িগঙ্গার ক্ষীণ ধারাটিকেও। দেখে বোঝারই উপায় নেই, এখানে একটি খাল রয়েছে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

রাজধানীর ৩৯ খাল নিশ্চিহ্ন ১১ খাল এখন নর্দমা, কেনাবেচা হয়েছে চার খাল, আরও ১৫ খাল বিপন্ন দশায়

Image
দখল-দূষণে বাউনিয়া খাল -বাংলাদেশ প্রতিদিন শেষ আট বছরে ঢাকার ১১টি খাল পরিণত হয়েছে খোলা নর্দমা আর ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে। আবর্জনায় জমাটবাঁধা খালের নর্দমায় খুঁটি পুঁতে পাটাতন বসিয়ে একের পর এক বস্তি গড়ে তোলা হয়েছে। ফলে স্থায়ীভাবে আটকে গেছে পানিপ্রবাহের পথ। আবার কোনো খালের একটু দূরে দূরেই বাঁধ দিয়ে ঘর তুলে বদ্ধ ডোবায় পরিণত করা হয়েছে। ৩০-৩২ বছর আগেও ঢাকার প্রান্তসীমায় স্রোতবাহী যেসব খালে পণ্যবাহী বড় বড় নৌকার আনাগোনা ছিল, সে খালগুলো এখন দুই-আড়াই ফুট চওড়া ড্রেনের আকার ধারণ করেছে। খোদ ঢাকা ওয়াসা বলছে, দখলবাজদের আগ্রাসী থাবায় মাত্র ৩০ বছরেই     অন্তত ৩৯টি খালের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এমনকি সরকারি ওই দফতরে বহু খোঁজাখুঁজি করেও খালগুলোর নথি পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, ওয়াসার একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশেই প্রভাবশালী মহল বছরের পর বছর ধরে খাল দখলের মচ্ছব চালিয়ে আসছে। তারা প্রথমেই খালের নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্টে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দেয়। পরে বাঁধ ঘেঁষে রাতারাতি গড়ে তোলা হয় একের পর এক বস্তিঘর। ওয়াসা কর্মকর্...