Posts

Showing posts from January, 2020

নবাবগঞ্জঃ পানিশূন্য ইছামতি এখন বয়ে যাওয়া একটি বক্ররেখা মাত্র।

Image
এক সময়ের খরস্রোত ইছামতি এখন পানিশূন্য হয়ে পড়েছে। পানিশূন্য ইছামতিতে এখন ধান চাষ করা হচ্ছে। ধলেশ্বরী নদীর সংযোগস্থল মরিচা হতে কাশিয়াখালী বেরিবাঁধ পর্যন্ত কিছু কিছু অংশে পানি থাকলেও বেশীর ভাগ অংশ জুড়েই পানি শূন্য খাল হয়ে আছে।  এদিকে পানির উপর নির্ভরশীল এই জপদের হাজার হাজার মানুষ প্রাকৃতিক পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এক সময় এই ইছামতি ছিলো খেটে খাওয়া মানুষের আয়ের উৎস। নদী উপর নির্ভরশীল কয়েক হাজার জেলে পরিবার আজ কর্মহীন হয়ে আছে। স্থানীয় কৃষকরা নদীর পানি দিয়ে কৃষিকাজ থেকে শুরু করে গরু ছাগল পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ইছামতি নদীর শাখা প্রশাখা ০৬টি উপজেলায় জালের মতো বিস্তৃত ছিলো। বর্তমানে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও শ্রীনগরের কিছু অংশ বিদ্যমান রয়েছে। ইছামতির অস্তিত্ব শুধু নবাবগঞ্জে টিকে রয়েছে পানিশূন্য অবস্থায়। ক্রমাগত পানিশূন্য থাকায় নদী হারিয়েছে তার সীমানা। কাগজে কলমে নদী থাকলেও এর অস্তিত্ব এখন হুমকীর মুখে। ইছামতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য বেশকিছু সামাজিক সংগঠন গড়ে উঠলেও কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছেন না। ভিন্ন ভিন্ন সময় বিষয়টি নিয়ে সরকারের কাছে তুলে ধরলেও আলোর মুখ দেখছে না।...

স্বাভাবিকের চেয়ে ৬ গুণ দূষিত ঢাকার বাতাস Add comment1 min ago1 min read

Image
স্বাভাবিকের চেয়ে ৬ গুণ দূষিত ঢাকার বাতাস ছবি: সংগৃহীত। বায়ু দূষণ আক্রান্ত শহরের তালিকায় ফের শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকা। আর এবারের দূষণ স্বাভাবিকের চেয়ে ৬ গুণ বেশি। শুক্রবার এমন তথ্য প্রকাশ করেছে এয়ার ভিজ্যুয়াল। এয়ার ভিজ্যুয়ালের তালিকায় দেখা যায় একিউআই মান ৩২৯ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। একিউআই মান ২৬২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীনের শেনইয়াং শহর। একিউআই মান ২১২ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মঙ্গোলিয়ার উলানবাটার শহর। একিউআই সূচকে ৫১ থেকে ১০০ স্কোর পাওয়ার মানে হলো বাতাসের মান গ্রহণযোগ্য। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর পাওয়ার অর্থ হচ্ছে বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর। এই সূচকে ৫০ এর নিচে স্কোর পাওয়ার মানে হলো বাতাসের মান ভালো। একিউআই মান ২০১ থেকে ৩০০ হলে, স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ তা জরুরি অবস্থা হিসাবে বিবেচিত হয়। যার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে নগরবাসী। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ্য রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। আর একিউআই মান ৩০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার অর্থ হচ্...

৪০ হাজার পাখির আবাসস্থল হাকালুকি হাওর

Image
ছবি: স্টার স্টার অনলাইন রিপোর্ট মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের হাকালুকি হাওর ও এর আশেপাশের জলাভূমি প্রায় ৪০ হাজার পাখির আবাসস্থল। দু’দিনের পাখি শুমারি শেষে এ তথ্য জানিয়েছে বার্ড ক্লাব বাংলাদেশ ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনভারসেশন অব নেচার (আইইউসিএন বাংলাদেশ)। বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এনাম উল হক জানান, ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি তারা ৫৩ প্রজাতির মোট ৪০ হাজার ১২৬টি পাখি গণনা করেছেন। পাখি গণনার সময় দলের সদস্যরা একটি ভূতিহাঁস দেখতে পান। বিপন্ন প্রজাতির এ হাঁসটির মাধ্যমেই জীববৈচিত্র্যের জন্য অঞ্চলটির গুরুত্ব বোঝা যায় বলে জানান তারা। পাখি বাঁচাতে অঞ্চলটি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন শুমারি দলের সদস্যরা। https://ranabhuiyan.com/%e0%a7%aa%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6…/

বিশ্বের দূষিত নগরীর তালিকায় ফের শীর্ষে ঢাকা

Image
বায়ু দূষণ সূচকে ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের শহরকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরীর তালিকায় শীর্ষে উঠে গেছে ঢাকা। বৃহস্পতিবার সকালে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) ঢাকার স্কোর ৩৭০ ছিল, যা খুবই অস্বাস্থ্যকর। তবে রাত পৌনে ৮টায় এই রিপোর্ট লেখার সময় স্কোর কিছুটা কমে ৩৪৪ হলেও দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষ স্থানটি নিয়ে কোনো হেরফের হয়নি। সকালের সূচকে ঢাকার পরে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন, পাকিস্তানের লাহোর, নেপালের কাঠমান্ডু, ভারতের দিল্লি হলেও রাতে ঢাকার পরের চারটি দেশ যথাক্রমে কিরগিস্তানের বিশখেক, মঙ্গোলিয়ার উলানবাটর, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন এবং ভারতের মুম্বাই। বাতাসের মান নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান এয়ার ভিজ্যুয়াল সূচকে এর আগেও কয়েকবার তালিকায় প্রথম স্থানে ছিলো ঢাকা। রাতে এয়ার ভিজ্যুয়ালের তথ্য অনুযায়ী এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) ঢাকার স্কোর ৩৪৪, যা খুবই বিপজ্জনক। আর, দুই নম্বরে থাকা বিশখেকের স্কোর ২৪৪, যা ঢাকার চেয়ে প্রায় ১০০ স্কোর কম। তবে তিনে থাকা উলানবাটরের স্কোর ঢাকার স্কোরের প্রায় অর্ধেক। উল্লেখ্য, প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি শহরের বাতাস ...

পলাশে ডায়িং কারখানার বর্জ্যে দূষিত হাঁড়িদোয়া নদ

Image
নরসিংদীর পলাশে জান্নাত ডায়িং কারখানার বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে হাঁড়িদোয়া নদ সমকাল পলাশ উপজেলায় অনিয়ন্ত্রিত ডায়িং কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা ডায়িং কারখানার বিষাক্ত কেমিক্যালমিশ্রিত রং অবাধে ফেলা হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র ও হাঁড়িদোয়া নদে। এতে এলাকার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ ও ফসলি জমি। মরে ভেসে উঠছে পানির মাছ। দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এসব বর্জ্য ফেলা হলেও কোনো প্রদক্ষেপ নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের রাঘবদী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ওই গ্রামে জান্নাত ডায়িং নামক একটি কারখানার বিষাক্ত কেমিক্যালমিশ্রিত রং পাইপ দিয়ে প্রকাশ্যে ছাড়া হচ্ছে পাশের হাঁড়িদোয়া নদে। নিয়ম অনুযায়ী ইটিবির মাধ্যমে এসব রং পরিশোধন করার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। কারখানাটির প্রতিষ্ঠাকালীন থেকে এসব রং ফেলা হচ্ছে আশপাশের নদী-নালায়। রাঘবদী গ্রামের আবদুল বাতেন মিয়া, জসিমউদ্দিন, রতন মিয়াসহ একাধিক কৃষক জানান, তারা জমিতে চাষাবাদের জন্য হাঁড়িদোয়া নদের পানি...

নতুন ভূমিতে নতুন স্বপ্ন-হচ্ছে পরিকল্পনা, আসছে বিনিয়োগ প্রস্তাব

Image
বর্তমান আয়তনের চেয়েও দ্বিগুণ ভূমি জেগেছে সন্দ্বীপে। সেখানে চলছে উন্নয়ন কার্যক্রম - প্রতিবেদক সাগরের বুক চিরে জেগে উঠছে নতুন ভূমি। নতুন স্বপ্নও দেখা দিচ্ছে সেই ভূমি ঘিরে। হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগে নতুন ভূমিতে হচ্ছে অত্যাধুনিক কলকারখানা। হচ্ছে অর্থনৈতিক অঞ্চল। হচ্ছে বিদ্যুৎকেন্দ্রও। মিরসরাইয়ে ৩০ হাজার একরের বিশাল ভূমিতে হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল। বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরী নামে পরিচিত নতুন ভূমির এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে এরই মধ্যে ৮২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে। মহেশখালীর নতুন ভূমি ঘিরে হয়েছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) টার্মিনাল। কয়লাভিত্তিক ১২টি, বায়ুভিত্তিক একটি ও সৌরশক্তির দুটিসহ ১৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মহাপরিকল্পনা আছে এ দ্বীপে। একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজও এগিয়ে চলেছে মহেশখালীতে। সন্দ্বীপের জেগে ওঠা নতুন ভূমি ঘিরেও হচ্ছে উন্নয়ন পরিকল্পনা। অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে সেখানে। আবার লবণশিল্পের জন্য আলাদা একটি জোন করারও পরিকল্পনা আছে সন্দ্বীপে। ১৪৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সন্দ্বীপের তিন পাশে গড়ে ওঠা নতুন ভূমির পরিমাণ মূল সন্দ্বীপের ...

জাবিতে পাখি মেলা

Image
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ‘পাখ-পাখালি দেশের রত্ন, আসুন সবাই করি যতœ’ স্লোগানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০তম পাখিমেলা-২০২০। গতকাল বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে মেলার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। দিনব্যাপী মেলার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে  ছিল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পাখি দেখা প্রতিযোগিতা, পাখিবিষয়ক আলোকচিত্র প্রদর্শনী, শিশু-কিশোরদের পাখির ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা, টেলিস্কোপ ও বাইনোকুলার দিয়ে শিশু-কিশোরদের পাখি পর্যবেক্ষণ, স্টল সাজানো প্রতিযোগিতা (পাখির আলোকচিত্র ও পত্র-পত্রিকা প্রদর্শনী), আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পাখি চেনা প্রতিযোগিতা (অডিও-ভিজুয়ালের মাধ্যমে), উপস্থিত সবার অংশগ্রহণে পাখিবিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা এবং সবশেষে পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে মেলার আহ্বায়ক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, ‘মেলার মূল উদ্দেশ্য পাখি সম্পর্কে গণসচেতনতা বাড়ানো। এ সচেতনতা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে। যাতে পাখির কোনো প্রজাতি বিলুপ্ত...

অবৈধ বালু বাণিজ্য: হুমকিতে মেঘনার ৩ সেতু

Image
Daily Star আশুগঞ্জে মেঘনা নদীতে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান রেলওয়ে সেতু, শহীদ হাবিলদার আবদুল হালিম রেলওয়ে সেতু এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম সড়ক সেতুর পাশে নৌযান থেকে বালু নামানোর জন্য অবৈধভাবে ঘাট বানানো হয়েছে। ছবি: মাসুক হৃদয় মাসুক হৃদয় ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা মেঘনা নদীর পাড়ে অবৈধভাবে কমপক্ষে ১০টি ঘাট বানিয়েছে যার ফলে হুমকির মুখে পড়েছে মেঘনার দুটি রেলসেতু এবং একটি সড়ক সেতু। এসব ঘাট বানানো হয়েছে নৌযান থেকে বালু নামানোর জন্য। ঘাট থেকে পরে পাইপলাইনের মাধ্যমে বালু চলে যায় বিভিন্ন জায়গায়। এই ঘাটগুলো থেকে বালু পরিবহন করতে স্থানীয় কিছু সিন্ডিকেট বাঁধ ও রাস্তা কেটে বসিয়েছে পাইপলাইন। এসব কর্মকাণ্ডে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান রেলওয়ে সেতু, শহীদ হাবিলদার আবদুল হালিম রেলওয়ে সেতু এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম সড়ক সেতু হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ‘মাসোয়ারা’ নিয়ে এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে ...

পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটক নিষিদ্ধ!

Image
দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরিবেশ অধিদফতরের সেন্টমার্টিন থেকে সাত কিলোমিটার দূরে ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটক নিষিদ্ধ হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সেন্টমার্টিনে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ১০৬টি আবাসিক হোটেল-মোটেল  সরিয়ে নিতে কর্তৃপক্ষকে নতুন করে চিঠি দেবে পরিবেশ অধিদফতর। বৃহস্পতিবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক সোলায়মান হায়দার। তিনি বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের সব জায়গা পর্যটকদের জন্য নয়। তাহলে পুরো দ্বীপ ধ্বংস হয়ে যাবে। ছেঁড়াদ্বীপ পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব জমি। এ দ্বীপের কোরাল দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই দ্বীপ ও কোরাল বাঁচিয়ে রাখতে হবে।’ সোলায়মান হায়দার আরও বলেন, ‘ছেঁড়াদ্বীপ সংরক্ষণে সেখানে কাউকে যেতে দেওয়া হবে না।  মানুষের চাপের কারণে ছেঁড়াদ্বীপের কোরাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সেজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পুরো সেন্টমার্টিন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে। তাছাড়া দ্বীপে গড়ে ওঠা সব আবাসিক হোটেল সরিয়ে নিতে নতুন করে দির্দ...

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি, ২০২০ ১১:৪৮ অনলাইন ভার্সন Share প্রিন্ট করুন printer পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটক নিষিদ্ধ!

Image
দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরিবেশ অধিদফতরের সেন্টমার্টিন থেকে সাত কিলোমিটার দূরে ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটক নিষিদ্ধ হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সেন্টমার্টিনে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ১০৬টি আবাসিক হোটেল-মোটেল  সরিয়ে নিতে কর্তৃপক্ষকে নতুন করে চিঠি দেবে পরিবেশ অধিদফতর। বৃহস্পতিবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক সোলায়মান হায়দার। তিনি বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের সব জায়গা পর্যটকদের জন্য নয়। তাহলে পুরো দ্বীপ ধ্বংস হয়ে যাবে। ছেঁড়াদ্বীপ পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব জমি। এ দ্বীপের কোরাল দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই দ্বীপ ও কোরাল বাঁচিয়ে রাখতে হবে।’ সোলায়মান হায়দার আরও বলেন, ‘ছেঁড়াদ্বীপ সংরক্ষণে সেখানে কাউকে যেতে দেওয়া হবে না।  মানুষের চাপের কারণে ছেঁড়াদ্বীপের কোরাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সেজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পুরো সেন্টমার্টিন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে। তাছাড়া দ্বীপে গড়ে ওঠা সব আবাসিক হোটেল সরিয়ে নিতে নতুন করে দির্দেশ...

প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ২০১৯ সালে ১৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

Image
সদ্য সমাপ্ত বছরে বাংলাদেশের প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। রপ্তানি কমে যাওয়ার মধ্যে তেজি রেমিট্যান্স প্রবাহ অর্থনীতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এ ছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার দর স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করেছে। ২০১৯ সালে বিভিন্ন দেশ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক হাজার ৮৩৩ কোটি ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন। ২০১৮ সালের তুলনায় বেড়েছে ২৭৮ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এর আগে এত বড় অংকের রেমিট্যান্স কোনো বছরে আসেনি। প্রণোদনা কার্যকরের পর শেষ ৬ মাসে রেমিট্যান্স বেশি বেড়েছে। শেষ ৬ মাসে বেশি এসেছে ৪৮ কোটি ডলার। গত জুলাই থেকে ২ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা, ডলারের দর বৃদ্ধি, খোলাবাজারের সঙ্গে ব্যাংকিং চ্যানেলের দরের পার্থক্য কম থাকাসহ নানা কারণে প্রবাসী আয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে। আবার এজেন্ট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন উপায়ে টাকা নেওয়ার সুযোগও রেমিট্যান্স বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। কোনো ঝামেলা ছাড়াই সুবিধাভোগীকে প্রণোদনার অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। স...