১৭৮টি
নদীতে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথে চলাচল নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিয়েছে
সরকার। নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আজ সংসদে জানান,
বর্তমান সরকার দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের নাব্যতা রক্ষায় ‘ড্রেজিং মাস্টার
প্ল্যান’ গ্রহণ করেছেন। এর আওতায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ
(বিআইডব্লিউটিএ) নদী খনন করে ওই নৌপথের নাব্যতা পুনরুদ্ধার করবে।
ভোলা ৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, বিআইডব্লিউটিএ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খনন, ৫৩টি নৌপথে ক্যাপিটাল
ড্রেজিং, মোংলা বন্দর থেকে পাকশী হয়ে চাঁদপুর, মাওয়া এবং গোয়ালন্দ যাওয়ার
রুটে নদীর নাব্যতা বিকাশ এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, দারলা, তুলাই এবং
পূণর্ভবা নদী পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে।
এছাড়াও পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরো ৪৭টি নদী নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে বলে জানান তিনি।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে এই প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।
যশোর ৩
আসনের সরকারি দলের সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহন
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে অভ্যন্তরীণ নৌপথের দৈর্ঘ্য বর্ষাকালে প্রায়
২৪ হাজার কিলোমিটার। শুষ্ক মৌসুমে এটি কমে ছয় হাজার কিলোমিটার হয়। নৌযান
যাতে বাধাহীনভাবে চলাচল করতে পারে সে জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম ১
আসনের সরকারি দলের সাংসদ এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে খালিদ মাহমুদ
চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ অর্থায়নে দুই দেশের
নৌ-প্রটোকলভুক্ত ৪৭০ কিলোমিটার নৌপথের খনন কাজ শুরু হয়েছে।
ঢাকা ২০
আসনের সরকারি দলের সাংসদ বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান,
অভ্যন্তরীণ রুটের জন্য সরকার বিভিন্ন ধরনের ৩৯টি নৌযান নির্মাণের উদ্যোগ
নিয়েছে।
এছাড়াও
আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলের জন্য সমুদ্রগামী ছয়টি বড় জাহাজ ক্রয় করার
পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সমুদ্রগামী আরও ৪টি নতুন সেলুলার কন্টেইনার জাহাজ
কেনার পরিকল্পনা আছে বলে জানান নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
Daily Star
D
Comments
Post a Comment