Posts

ছোট যমুনা এখন ডাস্টবিন

Image
ছোট যমুনা নদীকে কেন্দ্র করেই এক সময় নওগাঁ ছিল ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে অবৈধ দখল আর দূষণে নদীটি হারিয়েছে তার রূপ। নদীর দুই তীরের জমি অবৈধভাবে দখল করে প্রভাবশালীরা গড়ে তুলেছেন বাড়ি ও  কলকারখানা। এ ছাড়া নদীর উভয় পার্শ্বে ফ্লাডওয়াল নির্মিত হওয়ায় শহর এলাকার নদীর উভয় পাশের বাসিন্দারা ময়লা আবর্জনা নদীতে ফেলছেন। এতে নদীটি ‘বিশাল ডাস্টবিনে’ পরিণত হয়েছে। যার যখন মনে হয় তখন তাদের ময়লা-আবর্জনা নদীতে ফেলছেন। এতে নদীর পানি দূষণসহ পরিধি সংকুচিত হচ্ছে। নদী দূষণের কারণে তীরবর্তী নাগরিকদের বসবাস দুরূহ হয়ে পড়েছে। এতে ভবিষ্যতে নদী দূষণের মাত্রা গুরুতর আকার ধারণ করবে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবাদীরা। আর এসব দখল আর দূষণের কারণে নদী তার নাব্যতা হারিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নদীর অবৈধ দখল ও দূষণ থেকে রক্ষায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও একুশে পরিষদ নামের দুটি সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে। এ ছাড়াও অবৈধ দখলদাররা সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করায় জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ছোট যমুনা নদীতে পাকা, আধা-পাকা, দোকানঘর, কল-কারখানা, বাড়ি,...

অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানল: জরুরি সহায়তা প্রয়োজন ১১৩ প্রজাতি প্রাণীর

Image
গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ভয়াবহ দাবানলে পুড়েছে অস্ট্রেলিয়া। নিউ সাউথ ওয়েলস, ভিক্টোরিয়া, তাসমানিয়া, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া, কুইন্সল্যান্ড, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া ছড়িয়ে পড়া দাবানল এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তারই জের ধরে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন এমন ১১৩টি প্রজাতির প্রাণী শনাক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া। বুধবার দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, দাবানলের কারণে প্রায় সকল প্রজাতিই তাদের ৩০ শতাংশ বাস্তুতন্ত্র হারিয়েছে। অস্ট্রেলীয় সরকার গঠিত একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি সহায়তা প্রয়োজন এমন প্রজাতিগুলোর মধ্যে রয়েছে কোয়ালা, পাখি, মাছ এবং ব্যাং। দাবানলে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫০ কোটি প্রাণী প্রাণ হারিয়েছে। অসংখ্য গাছ পুড়েছে, হাজার হাজার বনভূমি উজাড় হয়েছে, ভস্মীভূত হয়েছে কয়েক হাজার বাড়িঘর। এদিকে অস্ট্রেলীয় সরকারের প্রকাশিত এক তালিকায় দেখা গেছে, দাবানলের কবলে পড়া ভূমিতে থাকা প্রজাতিগুলো সংরক্ষণে জরুরি উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকার গঠিত একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল জানিয়েছে, কয়েকটি প্রজাতি...

বায়ুদূষণে নষ্ট হচ্ছে জিডিপির ৫%: গ্রিনপিস

Image
  নিউজ ডেস্ক  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম রাজধানীর পোস্তগোলার রাস্তায় চলতে হয় নাক ঢেকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশকে যে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে,তার পরিমাণ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৫ শতাংশ বলে তথ্য এসেছে এক গবেষণা প্রতিবেদনে।  সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার এবং গ্রিনপিসের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া শাখার করা এই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানি যে বায়ুদূষণ ঘটাচ্ছে, তাতে বিশ্বের প্রতিদিন ৮০০ কোটি ডলারের (প্রাক্কলিত) আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। টাকার এই অংক বিশ্বের মোট জিডিপির ৩.৩ শতাংশ।  আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বছরে ১৪০০ কোটি ডলার, যা মোট জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশ। ‘বিষাক্ত বাতাস: জীবাশ্ম জ্বালানির খেসারত’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন বায়দূষণের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও একটি ধারণা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে,বাতাসে ২.৫ পিএম (পার্টিকুলেট ম্যাটার) আকারের ভারী কণার দূষণে ২০১৮ সালে ৪৫ লাখ মানুশের জন্য ডেকে এসেছে অকাল মৃত্যু। এর মধ্যে ৪০ হাজার শিশ...

বায়ুদূষণে বিশ্বে দৈনিক খরচ ৮০০ কোটি ডলার

Image
ঢাকায় বায়ু দূষণ। ছবি: স্টার ফাইল ফটো স্টার অনলাইন রিপোর্ট বায়ুদূষণের কারণে প্রতিদিন বিশ্বে ৮০০ কোটি ডলার ব্যয় হয়। বছরে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার, যা সারাবিশ্বের মোট জিডিপির ৩.৩ শতাংশ।   সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (সিআরইএ) এবং গ্রিনপিস সাউথ ইস্ট এশিয়ার গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। আজ বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে বায়ুদূষণের কারণে সারাবিশ্বে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। বায়ুদূষণে সবচেয়ে বেশি ব্যয় বহন করে চীনের মূল ভূখণ্ড, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত। প্রতিবছর চীন ৯০ হাজার কোটি ডলার, যুক্তরাষ্ট্র ৬০ হাজার কোটি ডলার এবং ভারত ১৫ হাজার কোটি ডলার খরচ করে। ৪৪ পাতার গবেষণা প্রতিবেদনে জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে বায়ুদূষণ এবং তাতে অকাল মৃত্যুর পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, বাতাসে জীবাশ্ম জ্বালানির ক্ষুদ্র কণার কারণে প্রতিবছর ৪৫ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু হয়। চীনে এ সংখ্যা ১৮ লাখ এবং ভারতে প্রায় ১০ লাখ। এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছিল, বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর বিশ্বে ৪২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বেশিরভাগই মারা যায় হৃদরোগ, স্ট্রোক, ফুসফু...

ঢাকার যানজটে যায় বাজেটের ২০ শতাংশ

Image
উন্নয়নকাজের জন্য অর্ধেক সড়ক এমনিতেই বন্ধ। বাকিটুকুতে যানবাহনগুলোকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় দীর্ঘ সময়। ছবি : কালের কণ্ঠ অ- অ অ+ পরিবেশ ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতি বাদ দিয়েও বছরে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ঢাকার যানজটে। এই ক্ষতি দেশের জাতীয় বাজেটের প্রায় ২০ শতাংশের সমান। যানজটের কারণে দিনে নষ্ট হচ্ছে কমপক্ষে ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা। মহানগরে নিয়মিত চলাচলকারী যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ যানজটে থেকে মানসিকভাবে ‘যুদ্ধ’ করতে হচ্ছে। এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, যানজট প্রভাব ফেলছে কমপক্ষে ৯টি মানবিক আচরণে। বিশেষ করে নিয়োগ পরীক্ষা, হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাওয়া, জরুরি সভা, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদানেও বাধা তৈরি করছে যানজট। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ ঢাকায় এসেই কমে যাচ্ছে যানজটের কারণে। ঢাকা মহানগর থেকে খুব কাছে সাভারে ডিইপিজেড, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে যেতেও স্থানে স্থানে বাধা হয়ে বিরক্তি উৎপাদন করে যানজট। বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সড়কের অংশ কমে যাওয়ায় অবস্থা এখন আরো নাজুক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিভিন্ন সংস্থার অপরিকল্পিত ও সমন্বয়হীন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিযোগিত...

বরফে ঢাকা অ্যান্টার্কটিকাই এখন গরমে কাবু

Image
উষ্ণায়ন নিয়ে রীতিমত চিন্তিত বিশ্ব নেতারা। যদিও অনেকেই বিষয়টা গুরুত্ব দিচ্ছেন না, তবে উষ্ণায়ন যে একটা ভয়ঙ্কর চেহারা নিয়েছে, তা স্পষ্ট। সম্প্রতি অ্যান্টার্কটিকায় পারদ যেখানে পৌঁছেছে, তা কপালে ভাঁজ ফেলছে আবহাওয়াবিদদের। গত বৃহস্পতিবার সেখানে তাপমাত্রার পারদ ছিল ৬৪.৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ১৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমশীতল দক্ষিণ মেরু এখন উষ্ণতম। এটাই সর্বোচ্চ উষ্ণতা বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ভেঙে যাচ্ছে রীতিমত কঠিন হিমবাহ। গলে পানি হয়ে যাচ্ছে বরফ। হিমশীতল বরফে ঢাকা অ্যান্টার্কটিকাই এখন গরমে কাবু। অ্যান্টার্কটিকায় উষ্ণতম মাস ধরা হয় জানুয়ারিকে। তাও তাপমাত্রার পারদ এতটা চড়ে না। যেভাবে জলবায়ু বদলাচ্ছে, উষ্ণায়ন বাড়ছে, মেরু প্রদেশের হিমবাহ দ্রুত হারে গলছে, তাতে বিপর্যয়ের আর বেশি দেরি নেই। উষ্ণতম অ্যান্টার্কটিকা দেখা গিয়েছিল সেই ১৯৬১ সালে। তারপর ২০১৫-তে ফের উষ্ণতা বাড়ে। ২৪ মার্চ তাপমাত্রার পারদ ছাড়ায় ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  বিশ্বের ১৯৩টি সদস্য দেশের সংগঠন ‘ওয়ার্লড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO)’-এর মুখপাত্র ক্লেয়ার নুলিস বলছেন, অ্যান্টার্কটিকায় ১৮.৩ ডিগ্রি ...

'১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথে চলাচল নিশ্চিত করবে সরকার'

Image
সংসদ অধিবেশনের ফাইল ছবি স্টার অনলাইন রিপোর্ট ১৭৮টি নদীতে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথে চলাচল নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আজ সংসদে জানান, বর্তমান সরকার দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের নাব্যতা রক্ষায় ‘ড্রেজিং মাস্টার প্ল্যান’ গ্রহণ করেছেন। এর আওতায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) নদী খনন করে ওই নৌপথের নাব্যতা পুনরুদ্ধার করবে। ভোলা ৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিআইডব্লিউটিএ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খনন, ৫৩টি নৌপথে ক্যাপিটাল ড্রেজিং, মোংলা বন্দর থেকে পাকশী হয়ে চাঁদপুর, মাওয়া এবং গোয়ালন্দ যাওয়ার রুটে নদীর নাব্যতা বিকাশ এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, দারলা, তুলাই এবং পূণর্ভবা নদী পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে। এছাড়াও পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরো ৪৭টি নদী নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে বলে জানান তিনি। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে এই প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। যশোর ৩ আসনের সরকারি দলের সাংসদ কাজী নাবিল আ...